মালদা

পুজোর আগেই চালু হবে ভুতনী ব্রীজ, আশায় বুক বেধেছেন ভুতনীবাসীরা

ভূতনীবাসীকে পূজোর উপহার নতুন ব্রীজ। মূল ভূখন্ডের সাথে যুক্ত হবে রাজ্যের দ্বিতীয় বৃহত্তম গাঙ্গেয় চড় ভুতনী। পাল্টে যাবে এলাকার আর্থ সামাজিক পরিবেশ। আশায় বুক বেঁধেছেন লক্ষাধীক চরবাসী।

        বাংলার দ্বিতীয় বৃহত্তম গাঙ্গেয় দ্বীপ হচ্ছে ভুতনীর চর। লক্ষাধীক মানুষ বসবাস করে এই চরে। গঙ্গা ও ফুলহর নদী দিয়ে এই দ্বীপের আর্থ সামাজিক পরিবেশ যথেষ্টই অনুন্নত। এই এলাকার মানুষের প্রধান পেশা কৃষি কাজ। স্বাভাবিক ভাবে দীর্ঘদিন ধরে মূল ভূখন্ডের সাথে যুক্ত হওয়ার জন্য সরকারী দ্বারে দ্বারে ঘুরেছেন এলাকার মানুষজন। কিন্তু কোন ফল হয়নি। কিন্তু ২০১১ সালে সরকার পরিবর্তনের পর ভুতনীর মানুষের এই দুর্দশা দুর করতে উদ্যোগ নেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়। ২০১৩ সালে উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দপ্তরের বরাদ্দ কৃত অর্থে শুরু হয় ভুতনী ব্রীজ নির্মানের কাজ। সম্প্রতি মালদা সফরে এসে দ্রুত ভুতনী ব্রীজের নির্মান কাজ শেষ করার নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই নির্দেশের পরই দ্রুত নির্মান কাজ শেষ করার তোড়জোড় শুরু করেছে জেলা প্রশাসন। তবে এই ব্রীজ নির্মানের ফলে দুই পাড়ের মানুষের যোগাযোগ যেমন সহজ হবে তেমনী পরিবর্তন হবে অর্থনৈতিক পরিকাঠামো। এতে উন্নয়ন হবে এলাকার মানুষের।

        মালদা জেলা পরিষদের সহ সভাধীপতি গৌড় চন্দ্র মন্ডল বলেন, পূজোর আগেই শেষ হবে ভুতনী ব্রীজের নির্মান কাজ। ব্রীজের পাশাপাশি  সংযোগকারী রাস্তা গুলির সংস্কার করা হচ্ছে বলে জানান তিনি। 
                 

        এদিকে বর্ষাকালে অসুখ বিসুখ সহ নৌকো থেকে গাড়ি পাওয়া যায়না। ব্রীজ হয়ে গেলে এই সমস্ত অসুবিধা গুলি দূর হবে। সেই সঙ্গে মূল ভূখন্ডের সঙ্গে যুক্ত হবে ভুতনী। পাল্টে যাবে এলাকার আর্থ সামাজিক পরিবেশ। যার ফলে আশায় বুক বেঁধেছেন চড় বাসী।

বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন নিচের লিংকে

https://www.youtube.com/embed/wpimBemUBrk